১৯৭১ সালে ইসলামের নামে জামায়াত স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, প্রিন্স

প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০২৫

ময়মনসিংহ-১ (হালূয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের বিএনপি দলীয় ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ১৯৭১ সালে ইসলামের নামে জামায়াত স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, অথচ ইসলামে স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার এবং মহান আল্লাহর নিয়ামত।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ধোবাউড়া মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, ১৯৭১ সালে জমায়াত শুধু স্বাধীনতার বিরোধিতাই করে নাই, তারা পাক হানাদার বাহিনীর সাথে একাত্ম হয়ে মুক্তিকামী জনগণের ওপর মরনাস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। রাজাকার, আল-শামস বাহিনী গঠন করে গণহত্যা চালিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও তারা কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চায় নাই, স্বভাবের পরিবর্তন করে তারা বাংলাদেশপন্থী হতে পরে নাই।

তিনি বলেন, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তারা ভুল রাজনীতি করে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এমনকি বিগত গণঅভ্যুুত্থানের পর দেশে এলোমেলো অবস্থা ও অন্তবর্তী সরকারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় লিপ্ত জামায়াত ভিনদেশী এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে। কিন্তু স্বাধীন দেশে বসে বাংলাদেশ ছাড়া দিল্লী, পিন্ডি, তুর্কী বা অন্য কোনো দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা যাবে না।

এই নেতা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগনের ভোটে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনার সুযোগ পেলে স্থানীয় বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জীবন-যুদ্ধের বীরত্ব গাঁথা ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহনের আশ্বাস দিয়ে প্রিন্স আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা বীর উত্তম জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক। আর এ কারণেই বিএনপিতে যত মুক্তিযোদ্ধা আছে, তা অন্য দলে নাই। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আকাঙ্খা ধারণ করে এবং দেশ ও জনকল্যাণে বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বেগম খালেদা জিয়ার অনবদ্য সৃষ্টি।

বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা এক্সিবিউশন বনোয়ারী, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক, বীরমুক্তিযোদ্ধা মিরাজ আলী, বীরমুক্তিযোদ্ধা ক্ষিতিশ চন্দ্র সাহা, বীরমুক্তিযোদ্ধা এস.কে হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক আযহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক প্রমূখ।