ছেলে ও নাতীনরে শ্বশুর-শাশুড়ি মিল্লা মাইরা ফালাইলো, নিহতের মা নিউজ ২৪ঘন্টা নিউজ ২৪ঘন্টা প্রকাশিত: ৭:৩৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২৫ ময়নসিংহের হালুয়াঘাটে গভীর রাতে শ্বশুর বাড়ি থেকে জামাতা ও নাতীনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এমন হত্যাকান্ডের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর ও শ্বাশুরীর বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়নের আমিরখাকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ওই জামাতার নাম রতন মিয়া (৩৫) ও তার মেয়ে নূরিয়া খাতুন (৭)। রতন মিয়ার বাড়ি প্বার্শবর্তী নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় এলাকার খিশাকুড়ি এলাকার আমির হোসেনর এর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, অন্তত ১০ বছর আগে রতনের সঙ্গে আমিরখাকুড়া এলাকার দুলাল মিয়ার মেয়ে জুলেখা খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের এক সন্তান নূরিয়া খাতুন। স্বামী-সন্তানকে রেখে বছর দুয়েক আগে দুবাই যান জুলেখা। সন্তানকে শ্বশুরবাড়ি রেখে পোশাক কারখানায় কর্মসূত্রে ঢাকায় থাকতেন রতন। সম্প্রতি দুবাই থেকে বাড়িতে আসেন জুলেখা। তাকে এবার বিদেশ যেতে নিষেধ করায় কলহ চলছিল জুলেখা ও রতন দম্পতির মাঝে। এর মাঝে মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে পরিবারের স্বজনদের চিৎকারে এলাকাবাসী গিয়ে দেখেন মেঝেতে পড়ে ছিল রতনের গলাকাটা মরদেহ। আর নূরিয়ার মরদেহ পড়ে ছিল বিছানার ওপর। এসময় জুলেখাকেও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত রতনের মা বলেন, দুইদিন আগে ছেলে কইছিল বউরে বুজায়া বাড়িতে আনবো। ঘর তুলবো, বাড়িতে থাকবো, আর বিদেশ যাইতে দিবো না। বউ আমগর বাড়ি গিয়া থাকলো না, চলে আইলো। আমার ছেলে ও নাতীন ডারে ওর শ্বশুর-শাশুড়ি মিল্লা মাইরা ফালাইলো, আমি বিচার চাই। হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় নিহতের শ্বশুর-শ্বাশুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। SHARES সারা বাংলা বিষয়: