কিশোরীকে একরাতে ৩ বার পালাক্রমে ধর্ষণ ৪ যুবকের নিউজ ২৪ঘন্টা নিউজ ২৪ঘন্টা প্রকাশিত: ৭:০৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০২৫ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে একরাতে তিনবার পালাক্রমে ধর্ষণ করে ৪ যুবক। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা সালিশের নামে তিনজনকে ডেকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গ্রেপ্তারৃতরা হলেন, একই উপজেলার রমেশ চন্দ্র দে’র ছেলে পংকজ দে(১৯), খাইরুল হকের ছেলে রোমান (২৩) ও আব্দুর রহিমের ছেলে এমরান হোসেন (৩২)। অপর আসামি আমির হোসেন (২৮) পলাতক। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে মুক্তাগাছা থানায় ভিক্টিম কিশোরীর মা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। পর দিন বৃহস্পতিবার আটক তিন আসামীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই দিন (বৃহস্পতিবার) সকালে ভিক্টিম কিশোরী ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায় , উপজেলার একটি গ্রামের ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী ঢাকায় একটি বাসায় ঝিয়ের কাজ করে। গত মঙ্গলবার ওই কিশোরী ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে মুক্তাগাছায় বাস থেকে নামেন। পরে অটোরিকসায় করে নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পংকজ দে’র সাথে দেখা হয়। পংকজ তাকে বাড়ি পৌছে দেবার কথা বলে একটি অটোরিকশাতে তুলে নেয়। পরে তাকে অটোরিকশায় করে ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে স্থানীয় একটি বাঁশ বাগানে নিয়ে গিয়ে তাকে জোরপূর্ব মুখ চেপে ধরে পংকজ ও তার তিন সহযোগি অটোচালক রোমান, আমির হোসেন এবং এমরান মিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভিকটিম জানায়, তারা স্থান পরিবর্তন করে রাতেই তাকে ৩ বার পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তাকে অটোরিকশায় উঠিয়ে সেখানেও ধর্ষণ করে। পরে ভিকটিমকে রাত আনুমানিক ২টার দিকে একটি ফিসারির পারে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরদিন বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা ওই কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে পৌছে দেয়। ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসি বুধবার রাতে সালিশের কথা বলে তিন ধর্ষক ডেকে আনে। এসময় ধর্ষকরা জনসম্মুখে ধর্ষণ ঘটনার কথা স্বীকার করে। পরে এলাকাবাসী তাদের ৩ জনকে বেঁধে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তাদের আটক করে। এ ঘটনার বুধবার রাতেই ভিক্টিমের মা বাদি হয়ে চার জনকে আসামীকে থানায় মামলা করেন। মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ তিন আসামী আটক করেছে। বৃহস্পতিবার ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামীকে গ্রেফতারে তৎপড়তাসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। SHARES সারা বাংলা বিষয়: