ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করা তরুণীকে মর্গের ভিতরে ধর্ষণ, ডুম গ্রেপ্তার নিউজ ২৪ঘন্টা নিউজ ২৪ঘন্টা প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২৫ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মৃত ২০ বছরের তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় আবু সাইদ (১৯) নামে এক ডুমের নামে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ডুম আবু সাঈদ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন ছেলে। সে হালুয়াঘাট থানার মরদেহ আনা নেয়ার কাজ করতেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে হালুয়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই দিন বেলা ১২ টার দিকে হাসপাতালের লাশ কাটা ঘরে এই ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামী আবু সাইদকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন বলেন, গত রবিবার জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায় রাত আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে ২০ বছর বয়সী এক তরুণী ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করে। পরে রাতে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হেফাজাতে রাখে। পরদিন সকাল ১১ টায় ডুম আবু সাইদ ও আরেকজন তরুণীর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে। আসার পর চাবি নিয়ে মর্গে মরদেহ রেখে চলে আবার চাবি দিয়ে চলে যায়। পরে আধাঘন্টা আবারও ডুম আবু সাইদ ও তার সঙ্গী এসে চাবি নিয়ে মর্গে ডুকে ধর্ষণ করে সেখানে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে মর্গের কর্তব্যরত ডুম এসে মর্গ অন্ধকার দেখতে পেরে লাইট জালায়। এসময় আবু সাইদ ও তার সঙ্গীকে মর্গে ঘুমাতে দেখেন। মরদেহ দেখে কর্তব্যরত ডুমের সন্দেহ হলে ডাক্তারকে খবর দেয়। ডাক্তার এসে ময়নাতদন্ত করে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। তিনি আরও বলেন, ডাক্তার ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করলে হালুয়াঘাট থানায় খবর দেয়া হয়। পরে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ আবু সাইদ ও তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আবু সাইদ ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করলে তাকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করেন। মামলার বাদী হালুয়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল বলেন, আবু সাইদ জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। সে হালুয়াঘাট থানায় মরদেহ আনা নেয়ার কাজ করতেন। ধর্ষণ, ডুম গ্রেপ্তার নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মৃত ২০ বছরের তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় আবু সাইদ (১৯) নামে এক ডুমের নামে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ডুম আবু সাঈদ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন ছেলে। সে হালুয়াঘাট থানার মরদেহ আনা নেয়ার কাজ করতেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে হালুয়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই দিন বেলা ১২ টার দিকে হাসপাতালের লাশ কাটা ঘরে এই ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামী আবু সাইদকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন বলেন, গত রবিবার জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায় রাত আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে ২০ বছর বয়সী এক তরুণী ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করে। পরে রাতে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হেফাজাতে রাখে। পরদিন সকাল ১১ টায় ডুম আবু সাইদ ও আরেকজন তরুণীর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে। আসার পর চাবি নিয়ে মর্গে মরদেহ রেখে চলে আবার চাবি দিয়ে চলে যায়। পরে আধাঘন্টা আবারও ডুম আবু সাইদ ও তার সঙ্গী এসে চাবি নিয়ে মর্গে ডুকে ধর্ষণ করে সেখানে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে মর্গের কর্তব্যরত ডুম এসে মর্গ অন্ধকার দেখতে পেরে লাইট জালায়। এসময় আবু সাইদ ও তার সঙ্গীকে মর্গে ঘুমাতে দেখেন। মরদেহ দেখে কর্তব্যরত ডুমের সন্দেহ হলে ডাক্তারকে খবর দেয়। ডাক্তার এসে ময়নাতদন্ত করে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। তিনি আরও বলেন, ডাক্তার ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করলে হালুয়াঘাট থানায় খবর দেয়া হয়। পরে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ আবু সাইদ ও তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আবু সাইদ ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করলে তাকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করেন। মামলার বাদী হালুয়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল বলেন, আবু সাইদ জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। সে হালুয়াঘাট থানায় মরদেহ আনা নেয়ার কাজ করতেন। SHARES সারা বাংলা বিষয়: