জামায়াতের আঙ্গুল বাকা করে ঘি খাওয়া জনগণ ১৯৭১ সালেই দেখেছে, প্রিন্স

প্রকাশিত: ৭:৪৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০২৫

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, জামায়াতে ইসলমীর আঙ্গুল বাকা করে ঘি খাওয়া জনগণ ১৯৭১ সালেই প্রত্যক্ষ করেছে। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জনগণ আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত তাদের প্রভু পাক বাহিনীসহ তাদের রাজাকার বাহিনীকে যুদ্ধের ময়দানে মোকাবেলা করে দেশ স্বাধীন করেছে।

শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা সদরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগের মতোই জামায়াতসহ কয়েকটি দল নিরপেক্ষ নির্বাচন ও জনগণকে ভয় পাচ্ছে। বিএনপির প্রার্থী তালিকা, নির্বাচন প্রস্তুতি ও জন সমর্থন দেখে তারা ফেব্রুয়ারীর নির্বাচন পিছিয়ে দিতে গণ-ভোটসহ বিভিন্ন নন ইস্যুকে ইস্যু বানাতে উত্তেজনাকর কথা বলে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃস্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত। এরা কিছুদিন পিআর, জুলাই সনদ নিয়ে সোরগোল করার চেষ্টা করেছে। জন সমর্থন না পেয়ে এখন জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের জন্য হৈ চৈ করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট জাতীয় নির্বাচনকে বানচাল করার প্রজেক্ট। পিআরসহ গণভোটের এই প্রজেক্ট আধিপত্যবাদের সাপ্লাই করা। আধিপত্যবাদ পুনরায় আওয়ামী ফ্যসিবাদকে বাংলাদেশে পুণর্বাসন করতে নির্বাচন বানচালের এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রে যে বা যারা যুক্ত হবে জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।

সমাবেশে এমরান সালেহ প্রিন্স তাকে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন দেয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এবার বিএনপি জনসমর্থন এবং দল ও আন্দোলনে ভূমিকা বিবেচনায় মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। তিনি বিএনপির সকল নেতাকর্মী ও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রতি ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মফিজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মনিক, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, যুগ্ম আহবায়ক ফরহাদ রাব্বানী সুমন, আবদুল কুদ্দুস, হাবিবুর রহমান, আবদুল ওয়াহেদ তালুকদার, মাহবুবুল আলম বাবুল, গাজিউর রহমান, জাকিরুল ইসলাম টোটন, হুমায়ূন কবীর, আবদুল মমিন শাহীনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশের পর একটি বিশাল মিছিল ধোবাউড়া থানা রোড, ব্রিজ, ধান মহাল, বাজার, উপজেলা পরিষদ, স্বাস্থ কমপ্লেক্স প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় মাদরাসা মাঠে গিয়ে শেষ হয়। বিশাল এই মিছিলে নারী উপস্থিতি সকলের নজর কাড়ে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মিছিলটি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার স্লোগানে মুখোরিত হয়ে একপর্যায়ে নির্বাচনী মিছিলে পরিণত হয়।