মসজিদ থেকে গির্জা, আয়া সোফিয়ার ইতিহাস

প্রকাশিত: ১:৪০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

তুরস্কের আয়া সোফিয়াকে আবারও মসজিদ হিসেবে চালু করায় নানা মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে। খোদ পোপও এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তবে আয়া সোফিয়ার উল্টো নিদর্শনও কম নয়। ৭৮৪ সালে নির্মিত হয় বিশ্বের আরেক নিদর্শন স্পেনের কর্ডোবা মসজিদ।

তবে ১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানদের পরাজিত করে, কর্ডোভা মসজিদ থেকে গির্জায় রূপান্তর করা হয়। তাই কর্ডোভার মসজিদ থেকে গির্জায় রূপান্তরের ইতিহাসটি জানানোর চেষ্টা থাকলো।

অপরূপ সৌন্দর্যের আরেক নাম স্পেনের কর্ডোবা মসজিদ। বাইরে এবং ভেতরে এর কারুকাজ যে কারোই নজর কাড়ে। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদে ব্যবহার করা হয়েছে মার্বেলসহ মূল্যবান পাথরে নিখুঁত কারুকাজের ব্যবহার।

স্পেনের তৎকালীন খলিফা আব্দুর রহমানের শাসনামলে ৭৮৪ সালে নির্মিত হয় ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি। নির্মাণের পাঁচশ বছরের বেশি সময় এখানে নামাজ আদায় করেন মুসলমানরা। ইসলামি শিক্ষা ও সালিশ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার হতো কর্ডোবা।

১২৩৬ সালে রাজা তৃতীয় ফার্দিনান্দ ও রানী ইসাবেলা মুসলমানদের বিতাড়িত করে স্পেন দখলে নিলে, কর্ডোবা মসজিদ গির্জায় রুপান্তর করা হয়। আর তখন থেকেই একে বলা হয় দ্য মস্ক ক্যাথেড্রাল অব কর্ডোবা।

কর্ডোভায় ঢুকতেই চোখে পড়ে যিশুর ক্রুশবিদ্ধ ভাস্কর্য। দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে খ্রিস্টধর্মীয় চিত্র ও ভাস্কর্য। ১৯৮৪ সালে ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃত দেয় ইউনেস্কো। দীর্ঘ প্রায় ৭’শ বছর মুসলিম সভ্যতার অনন্য এই নিদর্শনটি গির্জা হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

(সুত্র-সময় নিউজ)