লং মার্চ স্থগিত; নতুন ২ কর্মসূচি আন্দোলনরত শিক্ষকদের

প্রকাশিত: ৮:২৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০২৫

২০ শতাংশ বাড়িভাড়াসহ ৩ দফা দাবি আদায়ে ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি স্থগিত করেছেন এমিপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তবে দাবি আদায়ে তারা দুটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৫টায় শহীদ মিনারে এই দুই কর্মসূচির ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা।

আগামীকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ২টার মধ্যে দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারি না করলে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে। পাশাপাশি রোববার (১৯ অক্টোবর) থেকে এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কর্মবিরতি শুরু করবেন।

তারা বলেন, আগামীকাল শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ২টার মধ্যে দাবি মেনে প্রজ্ঞাপন জারি না করলে আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণার পাশাপাশি সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলবে।

এর আগে, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে এবং বিকাল ৫টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে মার্চ টু যমুনা কর্মসূচি পালন করা হবে। সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরারের সঙ্গে আলোচনা শেষে এসব কথা বলেন তিনি। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, বিভিন্ন সংস্থার চাপে বৈঠকের নামে আইওয়াশ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আববার (সি আর আবরার), এটা শিক্ষকদের সঙ্গে প্রহসন।

অধ্যক্ষ দেলোয়ার বলেন, ওনারা আলোচনার নামে আই-ওয়াশ করেছেন। আমরা শিক্ষা উপদেষ্টাকে বলেছি, আমাদের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু উনি তার বক্তব্যে অনড়। বলেছেন, এর বাইরে তিনি পারবেন না। আমরা বলেছি, এখন ১০ শতাংশ দেবেন, পররবর্তী বাজেটে ১০ শতাংশ দেবেন। পুরো বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে।

এদিকে টানা পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন করেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন তারা। একই সঙ্গে সারা দেশে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলছে কর্মবিরতিও।