বন্যা মোকবেলা করার প্রস্তুতি আছে, প্রধানমন্ত্রী নিউজ ২৪ঘন্টা নিউজ ২৪ঘন্টা প্রকাশিত: ৫:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সেই প্রস্তুতি আছে, এটা বন্যা মোকাবেলা করার। কিন্তু বন্যায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত বা নদীভাঙনে যারা গৃহহারা হচ্ছে, তাদেরকেও আমরা ঘরবাড়ি করে তাদের জীবনযাপনের ব্যবস্থা করে দেব। সেটাও আমাদের লক্ষ্য রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের খুরুশকুলে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে ফ্ল্যাট বরাদ্দ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে যেমন ঘর করে দিচ্ছি, পাশাপাশি যাদের জমি আছে তাদের ঘর করে দেওয়ার জন্য গৃহায়ণ তহবিল নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটা তহবিল করা আছে, সেখান থেকে যেকোনো প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়ে ঘর করতে পারে। আর আমরা নিজেরাও আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমেও যাদের জমি আছে, ভিটা আছে, কিন্তু ঘর নাই তাদের ঘর করে দিচ্ছি। তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশে একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না। প্রত্যেকটা মানুষকে আমি যেভাবে পারি গরিবানা হালে একটা চালা হলেও সেটা আমরা করে দেব। এটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি আরো বলেন, এবার একটু বন্যার প্রকোপটা বেশি দেখা যাচ্ছে। এটা হচ্ছে শ্রাবণ মাস, এরপর ভাদ্র মাসের দিকে আরো পানি আসবে। অর্থাৎ অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরো বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। প্রথম ধাপে উদ্বোধন হওয়া ভবনগুলোতে ফ্ল্যাট পেয়েছে ৬০০টি পরিবার। এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম ধাপে নির্মিত পাঁচতলা ২০টি ভবনসহ প্রকল্পের মোট ১৩৯টি ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি পাঁচতলা ভবনে থাকছে ৪৫৬ বর্গফুট আয়তনের ৩২টি করে ফ্ল্যাট। সবগুলো ভবন নির্মিত হলে উদ্বাস্তু জীবনের অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশ ছেড়ে সাজানো ও পরিপাটি দালানে উঠবে মোট প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার। ১০০১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হবে। খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে ২৫৩ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এ বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পকে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। SHARES জাতীয় বিষয়: